
George Herbert
(জন্ম - 3 April 1593 মৃত্যু - 1 March 1633)
George Herbert was a Welsh-born English poet, orator and Anglican priest. Herbert's poetry is associated with the writings of the metaphysical poets.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- A George Herbert ছিলেন একজন বিখ্যাত Religious Poet.
- তার বিখ্যাত দুটি কবিতা হলো "Easter Wings", "The Collar".
The Collar
কবিতার সারসংক্ষেপ:
কবি জর্জ হার্বার্ট তাঁর 'The Collar' কবিতায় বন্দী মানবাত্মার মুক্তির জয়গান গেয়েছেন। গলাবন্ধনী দ্বারা তিনি একজন মানুষকে শৃংঙ্খলিত রূপে দেখেছেন, যে মানুষ তার গলাবন্ধনী হতে মুক্ত হতে চায়। এখানে গলাবন্ধনী রূপকে সময়ের সীমাবদ্ধ জীবন যাত্রার কথা তুলে করেছেন। একজন মানব বাতাসের মতো বাধা বন্ধনহীন, স্বাধীন থাকতে চায়। কবি এখানে অসহায় বন্দী মানবের করুণ আর্তনাদ তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। এখানে মানবাত্মা যেন অসহায় এই মানব একই বৃত্তে অবস্থান করে অসহায় বোধ করেছে। তার জীবনের সকল অর্জনই যেন ব্যর্থ, সে তার অর্জনের মাঝে কোনো ফসল দেখতে পাচ্ছে না, সে শুধু প্রত্য করেছে কাঁটাগুল্ম। এখানে এই বন্দী জীবন যাত্রায় শুধু রক্তাক্ত হওয়া ছাড়া কোনো পথ নেই। অসহায় মানব ভাবে তার জীবনের পুরোটা সময় কেটে গেছে এই বৃত্তের মাঝে তার অশ্রু গেছে মদ্য, শুকিয়ে তার অশ্রু ডুবে গেছে তার শস্য সমুদয়। জীবন বৃক্ষে নেই কোন ফুল, সকল পুষ্পমালা তার ছিন্ন হয়েছে, বন্দী মানবাত্মা আর কোনো শীতল যুক্তি শুনতে চায় না। এই সব তুচ্ছ চিন্তা আর আইন-কানুনের নিগড় তাকে ভারাক্রান্ত করে তুলেছে, মোট কথা, এই বন্দী মানবাত্মা এবার বৃত্ত ভেঙ্গে বাইরে আসতে চায়, তার গলাবন্ধনী যেন তাকে আটকে রেখেছে সীমার বন্ধনে। এখানে অসহায় মানবাত্মার মুক্তির সুরকি স্পষ্ট।
কলারে হচ্ছে, পোপ বা বিশপেরা যখন তাদের ধর্মীয় রীতি পালনের জন্য চার্চে উপনীত হন, তখন তাদের পোশাকে গলার বন্ধনীকে ঝুলানো হয়। যার মানে তিনি ঈশ্বরের মনোনীত বান্দা। এখানে কবির আকুতি হলো তিনিও দুনিয়াবি কাজে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে পথ হারিয়ে ঈশ্বরের মনোনীত বান্দা হতে পারেন। তাই তিনি কলারের আকুতি জানিয়েছেন, হতে চেয়েছেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ প্রাপ্ত একজন।
Easter-Wings
কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি জর্জ হার্বার্ট তাঁর Easter-Wing' কবিতায় যিশুর পুনরুত্থানের দিকটিকে মনে রেখে এ কবিতা রচনা করেছেন। কবি বলেন মহান ঈশ্বর মানব সৃষ্টি করেছেন সকল প্রাচুর্যসহকারে কিন্তু মানবকুল তা দূরে ঠেলে ফেলেছে বুদ্ধির ভুলে। কবি শোকাকুল চিত্তে জানান। মানব ঈশ্বরের এই করুণা দ্বারা দূরে ঠেলে দিতে শেষ পর্যায়ে এসে দারিদ্রের চরম সীমায় উপনীত হয়েছে, নানা শোক, তাপ, পাপের বেদনার গ্লানি বইতে হচ্ছে তাকে। কবি অনুতপ্ত হয়ে মা প্রার্থনা করে ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ জানান তাঁর নতুন করে জাগরণ ঘটানোর, কবি বলেন এই জাগরণের মধ্য দিয়ে তাঁর মাঝে ধ্বনিত হোক পুনরুত্থান দিবসের সঙ্গীত। আর কবি এটাও বলেন যে, এমনটি ঘটার পর তিনি প্রভুর দয়ায় উড়ে যাবেন স্বর্গলোকে। কবি জানান শৈশবকাল তাঁর দুঃখ আর বেদনাভারে কেটেছে। যে গ্লানির লজ্জা আর বেদনাভার, কৃত পাপের ভার তাঁকে আজও বইতে হচ্ছে। কবি বলেন, এবার তিনি মহান প্রভুর আনুগত্য চান, মিলিত হতে চান প্রভুর সাথে। কবি চান, ঈশ্বর যদি তাঁর য়ে যাওয়া পাখায় দেন নতুন পালক, তাহলে তিনি উড়ে যেতে পারেন স্বর্গলোকে।
Read more